Manu Samhita, the Laws of Manu, tr. George Bühler
Introduction![]() The man
In Indian mythology Manu is the first man and the legendary author of an important Sanskrit code of law, this book, which is also known as Manu-smritiand Laws of Manu.
|
জনপ্রিয় ট্যাগস
- Adarsha Guru
- Ayurveda
- Download
- Guru
- Husband
- Love
- Mahabharat
- Manusamhita
- Ramayan
- Ripon Sarkar
- Riponsarkar21
- Sanatan Dharma Katha
- Sri Krishna
- Tulsi
- Veda
- Wife
- Women
- আদর্শ গুরু
- আদ্যাশক্তি
- আমড়া
- আমিষ
- আয়ুর্বেদ
- ই-বুক
- কবিরাজি
- কর্ম
- কালী
- কৃষ্ণ
- জয়ত্রী
- জয়িত্রী
- জৈত্রী
- জ্ঞান
- ডাউনলোড
- তুলসী
- ধ্যান
- নারী
- নিত্যকর্ম
- পুষ্পাঞ্জলি
- প্রণাম মন্ত্র
- প্রতিমাতত্ত্ব
- প্রেম
- বঙ্কিম
- বেদ
- বৈদিক শিক্ষা
- বৈষ্ণব
- ভক্তি
- ভগবান
- ভরত
- ভালোবাসা
- মনুসংহিতা
- মন্ত্র
- মহাভারত
- মহামায়া
- যোগ
- রাধা
- রাধারানী
- রামায়ণ
- রিপন সরকার
- লক্ষ্মী
- ললিতা
- লিঙ্গ
- শক্তি
- শাক্ত
- শিক্ষণীয়
- শিক্ষা
- শিব
- শিবলিঙ্গ
- শেয়ার মার্কেট
- শেয়ারবাজার
- শৈব
- শ্রীকৃষ্ণ
- শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা
- শ্রীমদ্ভাগবদ
- সনাতন ধর্ম কথা
- সনাতন ধর্মকথা
- সংস্কৃত
- স্ত্রী
- স্বামী
Tuesday, July 12, 2016
Manu Samhita Read Online
Monday, July 11, 2016
প্রশ্নোত্তর-১ (Question and Answer-1)সনাতন ধর্ম কথা
১. শ্রীভগবানকে দেখার উপায় কি? তার চিন্ময় ধামে যাওয়ার উপায়
কি?
উত্তরঃ
ভক্ত্যা ত্বনন্যয়া শক্য অহমেবং বিধোহর্জুন।
জ্ঞাতুং দ্রষ্টুং চ তত্ত্বেন প্রবেষ্টুং চ পরন্তপ ।।
(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাঃ অধ্যায়-১১ শ্লোক-৫৪)
জ্ঞাতুং দ্রষ্টুং চ তত্ত্বেন প্রবেষ্টুং চ পরন্তপ ।।
(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাঃ অধ্যায়-১১ শ্লোক-৫৪)
# সরলার্থঃ হে অর্জুন! হে পরন্তপ ! অনন্ত ভক্তির দ্বারাই
কিন্তু আমাকে এই প্রকার তত্ত্বত জানতে, প্রত্যক্ষ করতে এবং আমার চিন্ময় ধামে প্রবেশ
করতে সমর্থ হয়।
২. শ্রীভগবান কোথায় অবস্থান
করেন?
উত্তরঃ
পুরুষঃ স প্রঃ পার্থ ভক্ত্যাভস্তনন্যয়া।
যস্যান্তঃস্থানি ভূতানি যেন সর্বমিদং ততম।।
(শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতাঃ অধ্যায়-৮ শ্লোক-২২)
যস্যান্তঃস্থানি ভূতানি যেন সর্বমিদং ততম।।
(শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতাঃ অধ্যায়-৮ শ্লোক-২২)
Friday, July 8, 2016
২৮ টি নরক ও শাস্তির বিবরণ। সনাতন ধর্ম কথা।
২৮ টি নরক ও শাস্তির বিবরণ নিচে দেওয়া হল…

হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে প্রাচীন গ্রন্থ ঋগবেদ অনুযায়ী নরক হল চির অন্ধকারময় তলবিহীন এমন এক স্থান যেখানে সর্বদা মন্দ রাজত্ব করে। অন্যদিকে অথর্ববেদ অন্ধকারাচ্ছন্ন এক অধিরাজ্যের বর্ণনা দেয় যেখানে হত্যাকারীদের তাঁদের মৃত্যুর পর আবদ্ধ করে রাখা হয়। পূরাণ গুলির মধ্যে অগ্নি পূরাণ মাত্র ৪ টি নরকের উল্লেখ করে। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল এখানে নরকের ধারণা এক হলেও নরকের রূপ ভিন্ন ভিন্ন; অপরাধের প্রকার অনুযায়ী শাস্তি এবং শাস্তির প্রকার অনুযায়ী নরকেরও পৃথক পৃথক নামাঙ্কন ও বর্ণনা করা হয়েছে।) মনুস্মৃতি ২১ প্রকার নরকের উল্লেখ করে। তবে ভাগবত্ পূরাণ, দেবী-ভাগবত্ পূরাণ, বিষ্ণু পূরাণ এবং গরুড় পূরাণ এরা প্রত্যেকেই ২৮ ধরনের ভয়ঙ্কর নরকের কথা বলে। তাই এই ২৮ নরককেই মূল নরক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই মূখ্য নরক গুলি ছাড়াও সহস্রাধিক অন্যান্য নরকের কথা স্বীকার করা হয়েছে।
Wednesday, July 6, 2016
মনু স্মৃতিতে নারী:
মনু স্মৃতিতে নারী:
বৈদ্যিক সনাতন ধর্মে যতগুলি শাস্ত্রীয় গ্রন্থ আছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত হলো মনু স্মৃতি। এর কারন বিবিধ তবে সারমর্মে বলা যায় তথাকথিত ধর্ম ব্যাবসায়ী ও যবনদের দ্বারা বিকৃত ও স্বার্থসিদ্ধির জন্য নিজের মত করে অপব্যাখ্যা সৃষ্টি করাই এর প্রধান কারন। সেই সত্য আমি আমার পরবর্তীতে প্রতিটি লেখাতে তুলে ধরার চেষ্টা করবো প্রকৃত মনু স্মৃতির আলোকে। আজ আলোচনা করবো নারী সম্পর্কে মনু স্মৃতির ভাবনা। অনেক অপপ্রচার কথিত আছে যে মনু ছিলেন নারী বিদ্বেষী এবং বিভিন্ন ভাবে নারীদের হেয় করেছেন। তাহলে আমরা দেখে নেই কিভাবে মিথ্যা ভণ্ড প্রচারকরা মনু স্মৃতিকে হেয় করেছে।
যদি আমরা প্রকৃত অবিকৃত মনু স্মৃতি পর্যালোচনা করি তাহলে যে কেউই গর্বের সাথে বলতে পারবে যে পৃথিবীর অন্য যে কোন ধর্মীয় শাস্ত্রের চাইতে (অবশ্যই বেদের পরে) মনু স্মৃতিতে নারীকে অধিকতর উঁচু মর্যাদা দিয়েছে। এমনকি আধুনিক যুগে নারীবাদীদের গ্রন্থগুলোকে পুনঃ সংকলন করার প্রয়োজন পরে যাবে মনু স্মৃতির সমকক্ষ হওয়ার জন্য।
যদি আমরা প্রকৃত অবিকৃত মনু স্মৃতি পর্যালোচনা করি তাহলে যে কেউই গর্বের সাথে বলতে পারবে যে পৃথিবীর অন্য যে কোন ধর্মীয় শাস্ত্রের চাইতে (অবশ্যই বেদের পরে) মনু স্মৃতিতে নারীকে অধিকতর উঁচু মর্যাদা দিয়েছে। এমনকি আধুনিক যুগে নারীবাদীদের গ্রন্থগুলোকে পুনঃ সংকলন করার প্রয়োজন পরে যাবে মনু স্মৃতির সমকক্ষ হওয়ার জন্য।
হিন্দু ধর্মে নারীর স্থান
হিন্দু ধর্মে নারীর স্থান কেমন ? এ বিষয়ে মার্কণ্ড পুরানের অন্তর্গত শ্রীশ্রীচণ্ডীতে দেবীর স্তবে বলা হয়- "হে দেবী, জগৎের সকল নারী তোমারই অংশা।" নারীকে সৃষ্টির জননী রূপে সনাতন হিন্দু ধর্মে চিহ্নিত করা হয়। সেজন্য শাস্ত্র বলে- "যেখানে নারী প্রীতা থাকেন, সেখানেই সকল দেবতারা বাস করেন- আর যে স্থানে নারী প্রীতা না হন সেখান হতে দেবতারা প্রস্থান করেন।" যদি দেখা যায় দেখা যাবে নারী সৃষ্টি করেন, গর্ভে সন্তান ধারন করেন, সন্তান প্রসব করেন, সন্তান কে স্তন্যদান করে লালন পালন করে বড় করেন। নারী হল মাতৃরূপা। হিন্দু ধর্মে নারীর স্থান অনেক উচুতে দেবীস্থানে রাখা হয় । এখন হিন্দু বিদ্বেষীরা অনেক সময় খোঁচা দিয়ে আমাদের বলেন আমাদের ধর্মে সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ আছে। বস্তুত এগুলো কালের নিয়মে সৃষ্টি হয়েছে আবার তা চলেও গেছে । হিন্দু মহামানব রাজা রামমোহন রায় বেদান্তের অনুসরণে "ব্রাহ্ম সমাজ" গঠন করে সতীদাহ প্রথা দূরীকরণ করেছিলেন - একথা আমাদের স্মরণীয় । "ব্রাহ্ম সমাজ" বেদান্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি হিন্দু মঠ। অপরদিকে হিন্দু আচার্য পণ্ডিত বিদ্যাসাগর মহাশয় "বিধবাবিবাহ" প্রবর্তন তথা "বাল্যবিবাহ" রোধ ও "বহুবিবাহ" রোধে যে আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন - তা আমাদের স্মরণীয় । সুতরাং সেই কুপ্রথা এখন আর নেই । এখন যদি কেউ এগুলো নিয়ে হিন্দু ধর্ম কে আক্রমণ করে তাহলে সেটা তাদের মূর্খ বুদ্ধির পরিচায়ক হবে ।
Labels:
Mahabharat,
Manusamhita,
Ramayan,
Veda,
Women,
নারী,
বেদ,
মনুসংহিতা,
মহাভারত,
রামায়ণ
Subscribe to:
Posts (Atom)

